[url=http://www.gulfup.com/?AomQ4i][img]http://www.gulfup.com/G.png[/img][/url]

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

অষ্টাদশীর প্রেম

অষ্টাদশীর প্রেম

অষ্টাদশী কিশোরী মোর কেড়েছিল মন,
কথা দিয়েছিল সে হবে যুগ জনমের আপন।
এসেছিল সে শীতের কুয়াশায় নূপুর নিক্কন পায়,
হারিয়ে ছিলো হিয়া মোর সুরের মুর্ছনায়।
নোঙ্গর ফেলেছিলাম তার হৃদয়ের নদীতে,
প্রহর গুনেছি তার প্রেমের খেয়াঘাটে।
কুয়াশা শেষে আসিলো বর্ষা বর্ষণ,
অশ্রু হলো মোর দু’চোখের আপন।
ডুবিল তরী মোর অষ্টাদশীর দুরন্ত প্রেমে,
চলে গেল সে পরদেশীর পানসিতে চড়ে।

পানসি

পাদটীকাঃ
একদা 18+ বছরের এক কিশোরী
মোর প্রেমে দিওয়ানা হয়েছিল ।
এটা কি তার প্রেম না ক্ষনিকের আবেগ?
বুঝিবার চেষ্টা করেছিলাম,
তাই প্রেম বিশেষজ্ঞ বন্ধুর
প্রেম ভালোবাসায় পরামর্শ চাইলাম।
বন্ধু বরেষু মোরে শুধাইল
18+ বয়সের কিশোরী প্রেমে পড়ে বেশী,
ক্ষণে ক্ষণে তারা প্রেমের খোলস পাল্টায়,
এতএব তার প্রেমে মজিয়া হইয়োনা এত হাসিখুশি!
বন্ধু বরেষুর কথা
দিলো মোরে কিঞ্চিৎ ব্যথা।
তবুও ছাড়িলাম না হাল,
প্রেমের তরীতে দিলাম পাল।
অবশেষে যা হবার তাই হলো
18+ এর দূরন্ত প্রেম সাগরে
মোর টাইটানিক প্রেম ডুবিল।
আমার প্রেম তার ইতিহাস হইল,
কুইন মেরী-2 তে চড়িয়া
কিশোরী পরদেশীর প্রেমে মজিলো।
বন্ধু বরেষুর মুখে মুচকি হাসি,
আর করিবে অষ্টাদশীতে ভালোবাসাবাসি?
হে বন্ধু বরেষু মোর
কি করে করিব আর ভালোবাসাবাসি,
আজও যে সেই অষ্টাদশীকে ভালোবাসি।
বোকারাম বন্ধু মান কি তা এখন তুমি?
আঠারো বছরের যুবতীর
ঠিক থাকে না মতি গতির
সে যে প্রেমে চঞ্চল অতি!!!
মেনে নিলাম বন্ধুর কথা,
অষ্টাদশীর স্মরনে এই কবিতা।
হয়তো সে ভুলে গেছে সবি,
তার প্রেম বিরহে হয়েছি আমি কবি!!

নীল ছোঁয়া স্বপ্ন

নীল ছোঁয়া স্বপ্ন 
জানুয়ারি ২৫, ২০১২ |



সখি আকাশ থেকে তোমায়
কিছু নীল রঙ এনে দেব
দু’নয়নের মনিকোঠায় করে
তুমি কি নেবে না
তোমার নয়ন সাগর ভরে?
তুমি যে নীল নয়না ।
নীলাম্বরী নীল আবরণে ঘেরা
আকাশের ওই নীলিমা থেকে
টুকরো টুকরো ধূসরতা গুলো
মুঠি ভরে রেখে দেব,
শুধু তোমায় রাঙাবো
নীল ছোঁয়া জোছনায়।
সখি আঁখির ডানা কি মেলবে না?
গাংচিল চোখে নীলাকাশ নিয়ে
নীল সাগরে উড়বে না?
তুমি যে নীল নয়না।
গোলাপী অধর ছুঁয়ে যাবে তোমার
নীল শীতল স্পর্শতায়,
কপালে তোমার খেলা করবে
মেঘ-রৌদ্র ছাঁয়ায়।
নীল-সাদা-ধূসরতার মায়ায়,
সে ক্যানভাসে পরাবো তোমায়
আকাশনীল টিপ।
সখি তোমার সঙ্গে হারিয়ে যাবো
নীল সাগরের নীল আকাশ ঢাকা
সেই নিঝুম দ্বীপ।

হৃদয় ভাঙ্গা স্বপ্ন সিড়ি


হৃদয় ভাঙ্গা স্বপ্ন সিড়ি

স্বপ্নের সিড়ি বেয়ে তুমি এসেছিলে প্রিয়া
মোর হৃদয় পদ্ম পুকুরে,
যে টুকু জল ছিল সব নিয়ে নিলে
তোমার শূন্য হৃদয় কলসি ভরে।
কাদা মাটি মন মোর পরে রইল
অশ্রু ভেজা নির্বাক নয়নে।
জলহীন ভালোবাসার ফাটল ধরা পুকুরে
শেওলা জমেছে আজ তার পরতে পরতে।
পরকে করেছো আপন তুমি
আজ আপনকে করেছো পর,
অচীন কুমারের হাত ধরেছো
বাধবে সুখের ঘর।
হৃদয় তেপান্তরে উঠেছে তাই শুষ্ক মরু ঝড়,
তোমার ভালোবাসা করেছে মোরে একাকি দেশান্তর।
প্রিয়া তুমি সুখে থেকো
স্মৃতি টুকু মনে রেখ,
দুপুরের খর তাপে হেটেছিলাম দুজনে,
শান-বাঁধান ঘাটে বসেছিলাম ছায়াতরু নির্জনে,
ঢেউ তুলেছিল পুকুরের জল তোমার খিলখিলি হাসিতে,
স্বাক্ষি ছিল একটি নীল পদ্ম শীতল জলরাশিতে।

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

মেঘ-বৃষ্টি লুকোচুরি



মেঘ-বৃষ্টি লুকোচুরি
akashnill
এই কি মেঘের খেলা-
প্রতিদিন সে ঢাকে আকাশ,
ভু-পৃষ্টে থমকে দাড়ায় তপ্ত বাতাস।
প্রতিক্ষায় চেয়ে তনুমন,
ক’ফোটা বৃষ্টি ঝরো অনুক্ষন।
কদম তলে ‍সিক্ত বসনে
কথা হবে প্রিয়ার সাথে তৃষিত নয়নে,
রোদেলা দুপুরে ঘামসিক্ত মনে
তাই অপেক্ষায় কাটে বেলা।
অপেক্ষার দুপুর বিকেলে যায়
গোধূলীয়ার সঙ্গম হয় সুর্য ডোবায়
তবুও জলহীন মেঘ বৃষ্টি ঝরালো না,
প্রিয়া মোর আসিলনা শুষ্ক সাজ বেলায়,
ছোঁয়া গেল না তাকে বৃষ্টির অপেক্ষায়,
এ যেন মেঘ-বৃষ্টি লুকোচুরি খেলা।

সেই আঁধার রাত আমি আশ্রিতা তার


সেই আঁধার রাত আমি আশ্রিতা তার 

জানুয়ারি ১৯, ২০১২ |


সেই আঁধার রাত আমি আশ্রিতা তার  


এই অবেলায় বেহুলা ভেলা,

ভাসালু ক্যান? মন পবন আর ডিঙ্গা বায় না উজানে;

অপেক্ষায় রাত পোহাবে। হাওয়ার দেখা নাই,

বৈঠা আজ কাঙাল, ঝড়ের অগ্নিমূর্তি মত চঞ্চলতা

কোথায় গেল? আধ ঢেউয়ের নিষ্প্রাণ স্পন্দন

নেই স্রোতের টান; ভেলা যায় তার হাওয়ার রেস খুঁজে



চাঁদের অমাবস্যা

তাই পিছল পথে রাখবে না পা,

যদিও মরন কামড় দিয়ে শিকারীর অঙ্গে! দাঁত কামড়ে পরে আছে

পৈশাচিক চিৎকার,কাঁচা মাংশের ঘ্রাণের নেশায় মাতাল

‍সেই আঁধার রাত আমি আশ্রিতা তার।

বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

অথচ মানুষ শোনে না

 

অথচ মানুষ শোনে না

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:১৬




কোনোদিনও একফোটা হাসি জমেনি তার ঠোঁটে
মৃত্যুন্নেষি শীতের প্রকোঁপে
একটা একটা করে খসে পরে উদাম পাঁজরগুলো,
রক্তাক্ত প্রজ্জ্বোলিত বক্ষে জেগে ওঠে ক্ষোভ।
দু’দন্ড পরিত্যাক্ত বস্ত্রের জন্য দু’টি হাত যেন কাঙ্ক্ষিত চিরকাল
কখনও বা মুখ নিচু, অভিমানী
কখনও বা দুর্নিবার অভিশাপের লীলা,
রক্তের সুর্যপানে কেটে যায় মুহুর্ত কয়েক।
ক্ষুধা কিংবা পিপাসায় আতঙ্কিত জীবনের শেষ আধটা ঘন্টা।

চিৎকার করে সে বারংবার
বলে শুধু বাঁচবার চাই।
মৃত্তিকাও শোনে তার কথা,
অথচ মানুষ শোনে না।
পাহাড়ের ঢাঁল বেয়ে বয়ে যায় অশ্রু,
মানুষ কাঁদেনা।
আমি বাঁচতে চাই মানুষের ভীঁড়ে,
আমি দেখতে চাই জোয়ারের উত্থান
পথভাঙা সমুদ্রতীরে।
মৃত্তিকাও শোনে তার কথা,
অথচ মানুষ শোনে না।