বাতাস এসে লুকালো তোমার চুলে সারি সারি গাছেদের কাছ থেকে তারা নিয়ে এসেছিলো অজস্র কথা
তাদের অব্যক্ততার ভার ঘুর্ণায়নমান প্রপেলার হয়ে উড়াউড়ি করে অরণ্যের গোলকধাঁধার মতো তোমার চুলে একে অন্যের গায়ে লেপ্টালেপ্টি করে, আবার বিশ্লিষ্ট হয়ে তারা ভুলে যাচ্ছে সে গোপন বার্তা
মনে হলো এক্ষুনি হলুদ স্কার্ট পড়ে বারান্দায় আসবে তুমি; টবে ফুটে থাকা ফুলগুলি উপেক্ষা করে হবে উদাস; এমন-ই দুপুরবেলা বইবে বাতাস ... কি যেন নাই, কেন যেন নাই ... এইরকম ভাবনায়, না-থাকাটাই পড়ে আছে, বারান্দা জুড়ে আমি ভাবছি, হলুদ র্স্কাট পড়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছো তুমি!
রিকশা করে যাচ্ছে মা ও মেয়ে একটা খালি রিকশা, তারপর ঘণ্টা বাজাচ্ছে, কে যাবে, কে যাবে ... ত্রস্ত শূণ্যতা বসে নড়েচড়ে আইসক্রিমওয়ালা ... চলে যাচ্ছে গাড়িগুলা কে যাবে, কে যাবে ...
মন্থর মন আমার দুপুরের রোদে চা’এর দোকানের ছোট্ট ছেলেটাকে দেখে; নিরব বারান্দার নিচে কথা বলে যাচ্ছে যারা টেনে নিয়ে গেলো তারা আমাকে তাদের দলে
কথায় কথায় আমি ফেলে যাই তাকে, কথার শূণ্যতায় ... হলুদ র্স্কাট-পড়া একটা মেয়ে বারান্দায় জড়োসড়ো দাঁড়িয়েই থাকে ...