[url=http://www.gulfup.com/?AomQ4i][img]http://www.gulfup.com/G.png[/img][/url]

শনিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১২

Δছুটে যাই নষ্টলোক


Δছুটে যাই নষ্টলোক



ছন্দিত পদভারে হেঁটে যাও তুমি
দুলিয়ে দুলিয়ে কোমল নিতম্বদ্বয়
খেলা করে কীযে দেহের ভূভাগ–

উথাল-পাথাল যেনো ঢেউয়ের নাচন!
তুমি কি বুঝতে পারো বা দেখতে পাও
কী নাছোড় তোমার অদৃশ্য চূম্বক?
কেমনে বিদ্ধ করে আমার হৃদয়-শরীর
বড়শীবিদ্ধ হয় যেমন দুরন্ত মাছ;

হায়, কী করেই বা দেখবে আবেশীয় চোখ!
কিংবা টিভি-সিনেমার পর্দায় নাচো গাও
তখনো কি ভাবো, তোমার দেহের নাচন–
জাগায় মনের ভেতর অবাধ্য জোয়ার
মধুর আকর্ষণে কাজ ভুলে মাতাল আমি
মন্ত্রমুগ্ধের মতোন ছুটে যাই নষ্টলোক!

ষোড়ষী কিংবা শিশুও কি তখন আর
অভয়ারণ্যেও থাকে নির্ভয়-নিরাপদ?
আমি না হয় মদমত্ত বেভুল, হোক সাজা হোক
কিন্ত সাকী হে, সাজা কি হয় কখনো তোমার!!

নষ্ট কবি নষ্ট কবিতা!!

Δপাপ যদি হয়




উদোম শরীরে কিংবা ফিনফিনে পোষাকে যখন
দুলিয়ে তুমি কোমল দেহবল্লরী
উগ্র প্রসাধনে চলে যাও মুক্ত-স্বাধীন–

হৃদয়ে তখন আমার মাতাল হাওয়া বয়ঃ
আর দাপাদাপি করে শুধু নরকের কীট;
মনের পশুটাও ক্ষেপে ওঠে বেগতিক
ঠেকাই তাকে বলো, কী সাধ্য আমার?
সর্পিল গতি হেঁটে যাও তুমি—-

ভেসে চলে বাতাসে গন্ধ তোমার
পাগল আমি চেয়ে থাকি অপলক
পাপ যদি হয়, বলো দোষ কি আমার!
পতঙ্গের মতো হয়ে বেভুল-মাতাল
নিজেকে দিতে যদি না পারি সামাল;

কিংবা মোহের আগুনেই কভূ দিয়ে দিই ঝাঁপ
দায়ী কি হবেনা তবু তোমার শরীর
একাকীই নেবো আমি নিন্দার ভাগ!!

বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২

চলমান তুমি-আমি আর প্রতিক্ষার প্রহর।



চলমান তুমি-আমি আর প্রতিক্ষার প্রহর।


বাতাসে ভেসে বেড়ায় মদির গন্ধ অনিন্দ্য দেহ বল্লরীর।
হঠাৎ হাসির ঝংকারে, ভেঙ্গে খান খান পিন পতন নিস্তব্ধতা।
মন্ত্রমুগ্ধ আমার কপোল বেয়ে তখন বয়ে চলে আনন্দ কল্লোলিনী।
আমার নিজস্ব নদী।
যে আজকাল মাঝে মাঝেই আসন গাড়তে চায় আমাদের অভিসারে।
যদিও অনুমতি মেলেনি বলে দ্বিধান্বিত চলাচল।
পাছে ধরা পড়ে যায়!! তটস্থ সারাক্ষণ।
লাজুক আমার কল্লোলিনী তোমাকে এড়াতেই ব্যস্ত।
তবে বেশ বুঝতে পারছি, এ সঙ্গ ছাড়ার নয়।
কে জানে হয়ত চিরস্থায়ী গাঁটছড়া বাধারই পায়তারা।
কি আশ্চর্য! তার আগমনে এতটুকু বিরক্ত বোধ হয়না আমার।
কেন জানিনা কখনো কখনো অবচেতনে নিজেই দেই প্রশ্রয়।
তুমি কি তাকে প্রশ্রয় দেবে?
আমার কল্লোলিনীর দুই ধারা, আনন্দ-বিষাদ। দ্বন্দ্বটা আমার এখানেই।
কোন রূপে যে তাকে বরন করতে, কতটা প্রস্তুত তুমি?
আমি যখন যেমন চাই তার মাঝে দেই ডুব, অম্লমধুর ধারায় করি অবগাহন।
আমি তো তোমার মত মৌনব্রত গ্রহণ করিনি,
কারো বিশ্লেষণের আশায় রহস্যের অবগুণ্ঠনে জড়িয়েও রাখিনি ।
নিজেকে প্রকাশিতে ব্যাকুলতারও অন্ত নেই আমার।।
ভয়াল আধার এবারো আগলে দাঁড়ায় পথ।
আজ আর নয় বলে তোমার ফিরতি পথ ধরা
আসছ তো কাল? আমার ব্যকুল জিজ্ঞাসা।
থমকে যাওয়া পৃথিবীকে দেয় গতি, সম্মতি তোমার।
আমার কল্লোলিনীকে দেয় নবযৌবন, সহসাই দুকূল ছাপিয়ে নেমে আসে সে।
আমি ভেসে যাই। ভেসে যাই তার অম্লমধুর ধারায়।
প্রাপ্ত সুখের অমিয়তে নেশাগ্রস্থ আমি।
প্রতীক্ষারত পরবর্তী মোহন সন্ধ্যার।
ভয়াল আধার আর অসহ্য আলোর শেষের মাহেন্দ্র খনের।।