[url=http://www.gulfup.com/?AomQ4i][img]http://www.gulfup.com/G.png[/img][/url]

বুধবার, ২১ নভেম্বর, ২০১২

নির্ঘুম নীরব হেমন্তের রাত



নির্ঘুম নীরব হেমন্তের রাত
          

শুভ: ঘুমিয়েছিলো বিশ্ব চরাচর
সাথে তুমি ও তোমার শহর
আমার দু’চোখ জেগেছিলো নির্ঘুম
রাত্রির প্রতিটি প্রহর…
সুর: তুমি ছিলে নির্ঘুম
আমিও জেগেছি নীরবে
কথা বলেছি হৃদয়ে হৃদয়ে
মূক হয়ে যাওয়া ভালোবাসার উৎসবে!
অনুভবের দরোজায় করেছি করাঘাত
তুমি শোন নি কি?
সঙ্গী ছিলো হেমন্তের রাত !


শুনেছি অব্যক্ত সুখের যন্ত্রণার ধ্বনি
তবুও কেটেছে রাত স্বপ্নের জাল বুনি
এই ভালোবাসা বেদনার চিরন্তন সাথী
জানি আমি,জানো তুমি,
তবুও জ্বেলেছি প্রেমের বাতি !


 

ভালো আছি


ভালো আছি


বিকেলের ক্ষীণ আলোয়
কলেজ গেটে দাঁড়িয়ে ছিলো
এক তরুণ। গায়ে ঝুল পাঞ্জাবী
কাঁধে চটের ব্যাগ, মাথার
চুল উস্কোখুস্কো
তবু প্রসন্ন সে-
মৃদু হেসে এক তরুণী জিজ্ঞেস করে
'ক্যামন আছেন ?'


কেটে যাচ্ছে শ্রাবণ
তবুও মৃদু হাওয়া হচ্ছে
শরীরে শিহরণ দিয়ে,
আকাশের লালচে আভায়
সন্ধ্যের পূর্বাভাস;


হয়তো কোনো এক গাঁয়ে
এক চপল তরুণী
দিচ্ছে সন্ধ্যাবাতি
প্রেমিকটি তার কেবলই
বিদায় নিয়েছে; চিবুক
ছুঁয়ে বলে গ্যাছে
ভালো থেকো রাতে।


আলো আরও ক্ষীণ হয়;
সৌম্য তরুণ দাঁড়িয়ে আছে
মুখে হাসি
বলে 'ভালো আছি
আপনিও ভালো নিশ্চয়ই ?
 

শেষ বিকেলে সন্ধ্যার হাওয়া


শেষ বিকেলে সন্ধ্যার হাওয়া


শেষ বিকেলের আলো-ছায়া
কি এক মায়ার আবেশে
লেগেছিল পথে পান্তরে
যেন শেষ বিকেলের গোধূলীর রঙ
ঝরে-ঝরে পড়ছিল তোর মসৃন ত্বকে
তোর ঠোঁটের আলতো স্পর্শে
নীল মায়াবী দিগন্ত শিহরনে মেতেছিল।

জোয়ারে জোয়ারে ভরে উঠেছিল নদীর কিনার
তোর নগ্ন নাভির মগ্নতায়
কবিতা এসে লুটোপুটি খেয়েছিল অনন্তকাল
কবিতা এসে বলেছিলঃ কবিতা মানেই উষ্ণ চুম্বন
প্রেমিকার ঠোঁটে বুকে সারা শরীর সমর্পন সবখানে

তারপর কি এক মায়ার প্রসন্নতায়
ইলশে গুড়ি বৃষ্টি ঝরেছিল
শেষ বিকেলের দরোজা খুলে
তুই দাঁড়ালি আস্তে করে
মিহি কন্ঠে বলেছিলিঃ দাঁড় বাইবা মাঝি?
নদীতে আজ উথাল পাথাল হাওয়ার উম্মাদনা
মাঝি তুই গাইতে পারিস গান টান-টান ঐ নদীর মত সুর?
মাঝি রে তুই একলা যেতে রাজি!
পূর্ণিমা জল ভাসবো তুমি-আমি.... বিকেলের আলো-ছায়া
কি এক মায়ার আবেশে
লেগেছিল পথে পান্তরে
যেন শেষ বিকেলের গোধূলীর রঙ
ঝরে-ঝরে পড়ছিল তোর মসৃন ত্বকে
তোর ঠোঁটের আলতো স্পর্শে
নীল মায়াবী দিগন্ত শিহরনে মেতেছিল।

জোয়ারে জোয়ারে ভরে উঠেছিল নদীর কিনার
তোর নগ্ন নাভির মগ্নতায়
কবিতা এসে লুটোপুটি খেয়েছিল অনন্তকাল
কবিতা এসে বলেছিলঃ কবিতা মানেই উষ্ণ চুম্বন
প্রেমিকার ঠোঁটে বুকে সারা শরীর সমর্পন সবখানে

তারপর কি এক মায়ার প্রসন্নতায়
ইলশে গুড়ি বৃষ্টি ঝরেছিল
শেষ বিকেলের দরোজা খুলে
তুই দাঁড়ালি আস্তে করে
মিহি কন্ঠে বলেছিলিঃ দাঁড় বাইবা মাঝি?
নদীতে আজ উথাল পাথাল হাওয়ার উম্মাদনা
মাঝি তুই গাইতে পারিস গান টান-টান ঐ নদীর মত সুর?
মাঝি রে তুই একলা যেতে রাজি!
পূর্ণিমা জল ভাসবো তুমি-আমি....

যেন এক দিন.........




একদিন

 তুমি কাঁদবে আমার

 জন্য ।

 যেমন

 করে আমি কাঁদি তোমারজন্য ।

 

একদিন

 তুমি আমাকে অনেক

 অনেক মিস করবে।

 যেমনটি আমি এখন

 করি ।

 

একদিন তোমার

 আমাকে অনেক দরকার

 হবে।

 যেমনটি তোমাকে আমার

 দরকার হয় ।

 

একদিন তুমি আমায়

 অনেক অনেক

 ভালবাসবে ।

 কিন্তু সেদিন

 হয়তো আমি

 ...........!!!!

মুখোশের গহীনে মেয়েটি............





তোমরা সবাই মেয়েটিকে চেনো

 জানো তার সকাল , দুপুর আর বিকেল

 সেখানে সে সদা হাস্যময়ী

 কখনও মেয়ে , কখনও বোন

 কখনও বা কারো আদুরে ভালোবাসা

 

তোমরা কেবল তার সন্ধ্যে থেকে ভোর অব্দি জানো না

 সে তখন মুখোশের গহীনে

 সাদা , কালো বা আগুন রঙের মুখোশ

 তাকে তখন কেউ জানে না

 সে নিজেও বন্দী কোন এক মুখোশে

 হয়তো তা অনিচ্ছের জলরঙে আঁকা


 
থাক না ওসব অহেতুক জানাজানি

 বরং মেয়েটির হাসি দেখি , খুশি দেখি

 মুখোশের আড়ালের মেয়েটি ততক্ষণ জিরিয়ে নিক খানিকটা ।

সব কিছুই কী নষ্টদের অধিকারে যাবে!



সব কিছুই কী নষ্টদের অধিকারে যাবে!




 মানুষ আজ বিলুপ্ত প্রায়.......

 আদিম যুগে ফিরে যাচ্ছি আমরা।

 মনের ইবলিস কে যদি হত্যা করতে পারতাম।

 

 যদি কোন শিশুর লাশ ঝুলে না থাকতো বন্দুকের নালায়

 নারী যদি নিগৃহীত না হতো ফেরাউনের হাতে

 পুরুষ যদি পিতার মতো পবিত্র থাকতো নারীর মনে

 যদি পুড়িয়ে ফেলা যেতো পৃথিবীর তাবৎ বারুদ।

 বর্ণ বৈষম্যর নিদারুণ ধাক্কা যদি না খেতো আমার সে -বোন

 আমার ভাইটি যদি নেশা খেয়ে পড়ে না থাকতো গলি-মোড়ে।

 প্রিয় মানুষটি যদি আমার বুকে মাথা রেখে স্বপ্ন দেখতো; বিশ্বস্ততায়

তাহলে গর্ব করে বলতে পারতাম, মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব।

 অথচ, মানবজাতি আজ বিলুপ্ত প্রায়।