পরম্পরায় খুঁজে ফেরা
কেন লিখতে মন চায় !! উত্তর জানা নেই। যখন পথ পাই না খুঁজে, নির্বাণ
খুঁজি লিখায়। কবিতা আমার অলিন্দ ও নিলয়। হয়কি- হয়না- খুঁজতে থাকে অনেকেই।
আমি কথা বলি আমার চেতনায়, আমার ভাষায়, আমার কবিতায়। যদি কেউ শুনতে পায় সেই
কথা, তবে- তারাই পড়বে আমার লিখা। সে যদি একজনও হয়।
আমি যেমন ছেড়েছি সব। … ছেড়েছি সব কিছু। তেমনি তুমিও ছেড়ে যাবে একদিন।
যেতেই হবে তোমাকে। তারপর …। অনেকটা পথ অতিক্রান্ত হবে যখন, কোলাহল কিছু
থামবে, বিশ্বাসের ভ্রান্তিবিলাস খসে পড়বে একে একে। শ্রাবণে কি, হাড়-হিম
শীতে। একাকী শূন্যতার দিকে চেয়ে ধোঁয়াশার বুকে ভেসে উঠবে তোমার চোখে আমার
মুখ।
তোমাকে যেতে হবেই। আরো অনেকটা পথ এগুতে হবে। যেমন আমাদের পূর্ব পুরুষদের
চেয়ে অগ্রগামী এই আমি। অংশত এবং কিছুতো সত্য। প্রেমিক সজ্জন, বান্ধব-
বান্ধবী। অভাব হবেনা নিত্য নতুন সহযোগীর। ঘিরে থাকবে ভরে থাকবে কদম্ব
কামিনী। সেই সাথে Cristian Dior, Richi ও Gucci আরো কত কি।
ভালোবাসার কথা শোনাবে অনেকে, ভালোবাসবে না। মাথায় উঠাবে, পুজার ভান করবে, আছড়ে দেবে নানান প্রকার। ভালোবাসবে না। অন্নদা দিদি খুঁজবে বার বার।
ভালোবাসার কথা শোনাবে অনেকে, ভালোবাসবে না। মাথায় উঠাবে, পুজার ভান করবে, আছড়ে দেবে নানান প্রকার। ভালোবাসবে না। অন্নদা দিদি খুঁজবে বার বার।
তবু একজন মানুষ খুঁজি। সব সময় খুঁজি। খুঁজে খুঁজে মরি। আসরে, উৎসবে,
আয়োজনে, সমাবেশে। এমনকি সান্ধ্যভ্রমণ ও প্রাতঃভ্রমণেও। খুঁজি শুধু একজন
মানুষ। যার সংস্পর্শে নষ্ট হয়ে যাওয়া মূল্যবোধ ‘অরণ্যের’ মতো ফিরে পেতে
পারি। মানুষের যা কিছু মর্যাদার যা কিছু অর্জন- পথ খুলে দিতে পারে যে
নির্যাস। সেই সেই মানুষকে খুঁজি। কে দেবেই আশ্বাস !! খুঁজে অহরহ। মুছে দিক
সেই… এই ঘৃণা- অবিশ্বাস- সন্দেহ। পারস্পরিক ভেদ বিদ্বেষ। খোল- নলচে বদলে
দেয় এমন মানুষ।
মৃত্যুই কেবল মৃত্যুই ধ্রুবসখা
যাতনা কেবল যাতনা সুচির সাথী।
অতএব কারো পথ চেয়ে লাভ নেই
বিরূপ বিশ্বে মানুষ নিয়ত একাকী।
যাতনা কেবল যাতনা সুচির সাথী।
অতএব কারো পথ চেয়ে লাভ নেই
বিরূপ বিশ্বে মানুষ নিয়ত একাকী।
1 টি মন্তব্য:
আচ্ছা কবিতা কোন জাতের?মানুষের মত
কবিতারও নিশ্চয়ই জাত আছে।
কবিতা চায় তার কাছে নিঃশর্ত আত্নসমর্পন
নারীর মত সেউ চায় কবির সমগ্র জীবন;
অনন্ত পথে অতীত বর্তমান ভবিষ্যত
এক হাতে কবিতা অন্য হাতে তাবত স্বপ্ন সাধনা
কিন্তু কবিতা!
কবিতা কোন সপত্নীকে সহ্য করেনা।
সে চায় পরিপূর্ন সমর্পন
আমার সমস্ত মেধা –মনন,
ভাব অনুভব,চেতনার সর্ব সত্ত্বকে সে দাবী করে।
পৃথিবীর আর দশটা কর্ম সাধন করে- আর যাই হোক
কবিতার কাছে আসা যায়না,
দারুন অভিমানিনী চাঁদের মত মুখ লুকায় মেঘের আড়ালে
যেন সে দেখতে পায় তার একান্ত পুরুষের শরীরে সম্ভোগের চিহ্ন।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন